মাদরাসায় পড়াশোনার দরুন তাদের অনুসরণ করতাম। তাদের সুরে কুরআন তেলায়ত করা এবং ওয়াজ বুঝার ও আয়ত্ত করার চেষ্টা করতাম, অর্থাৎ ভক্ত বলতে যা বুঝায়। তাদের প্রতি অন্তরে এক প্রকার বিশেষ সম্মান অনুভব করি। আমি বিশ্বাস করি সত্যিকারের ভক্তি কখনো সীমা লঙ্ঘন করে না বরং শ্রদ্ধার মধ্যেই তার সৌন্দর্য। মানুষকে সম্মান করা সুন্নাহ সম্মত সুন্দর চরিত্রের অংশ, আর ভালোবাসার সর্বোচ্চ স্থান আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ-এর জন্য।
১) আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (রহিমাহুল্লাহ), বাংলাদেশ🇧🇩।
২) শায়খ আবদুর রহমান বিন আবদুল আজিজ আস-সুদাইস (হাফিজাহুল্লাহ), সৌদি আরব🇸🇦।
৩) ডক্টর মিজানুর রহমান আজহারী (হাফিজাহুল্লাহ), বাংলাদেশ🇧🇩।
৪) ক্বারী নুরিন মুহাম্মদ সিদ্দিক (রহিমাহুল্লাহ), সুদান 🇸🇩।
(আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান করুন)
কোনো জনপ্রিয় ব্যক্তির প্রতি ভালো লাগা থাকা স্বাভাবিক। তবে একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের ভালোবাসা ও সম্মান যেন আল্লাহর সন্তুষ্টির সীমার মধ্যে থাকে। কাউকে ভালোবাসতে গিয়ে যেন অন্ধ অনুকরণ না করি, হারাম কাজে উৎসাহিত না হই কিংবা কোনো মানুষকে এমন মর্যাদা না দিই, যা একমাত্র আল্লাহর জন্য প্রাপ্য। বরং তাদের ভালো দিক ও প্রতিভার প্রশংসা করি, কল্যাণের জন্য দোয়া করি এবং ভুল-ত্রুটির ক্ষেত্রে গীবত বা অপমানের পথ বেছে না নিই। আল্লাহ আমাদের এমন ভালোবাসা দান করুন, যা আমাদের ঈমান বাড়ায়, চরিত্র সুন্দর করে এবং তাঁর সন্তুষ্টির পথে নিয়ে যায়।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন